প্রিন্ট এর তারিখঃ Jun 26, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 26, 2024 ইং
অনলাইনে লিখে মাসে ২ লাখ টাকা আয় করেন কলেজশিক্ষক মোস্তাফিজুর

পাঁচ ভাই, এক বোনের মধ্যে দ্বিতীয় মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আয়ের শুরুটা হয়েছিল গৃহশিক্ষক হিসেবে, ছাত্রজীবনে। ২০০৪ সালে শিক্ষকতা পেশায় জড়িয়ে আজ তিনি থিতু সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে। এই কলেজে ইংরেজির প্রভাষক তিনি। চমকে দেওয়ার মতো তথ্য হলো মোস্তাফিজুর রহমানের মাসিক আয় প্রায় দুই লাখ টাকা। গ্রামের একটি ডিগ্রি কলেজে পড়িয়ে এটা কীভাবে সম্ভব?
মাসে গড়ে দুই লাখ টাকা আয় করা মো. মোস্তাফিজুর রহমান এটা সম্ভব করেছেন ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং কাজের মাধ্যমে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের নিয়মিত কর্মীর বাইরে মুক্তপেশাজীবী বা ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করিয়ে নেন। এটিই ‘ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং’ নামে পরিচিত। গ্রাহকের নির্দিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ে কাজ করে দেন ফ্রিল্যান্সাররা। মোস্তাফিজুর রহমান এমন কাজই করেন চারজনের একটি দল নিয়ে। ধর্মপাশায় বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা পণ্যের বর্ণনা লিখে দেয় মোস্তাফিজুর ও তাঁর দল। লিখতে হয় ইংরেজিতে। কারিগরি ভাষায় এই বিষয়টিকে বলে ‘কনটেন্ট রাইটিং’। সাত বছর আগে কন্টেন্ট রাইটিং দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।পাঁচ ভাই, এক বোনের মধ্যে দ্বিতীয় মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আয়ের শুরুটা হয়েছিল গৃহশিক্ষক হিসেবে, ছাত্রজীবনে। ২০০৪ সালে শিক্ষকতা পেশায় জড়িয়ে আজ তিনি থিতু সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে। এই কলেজে ইংরেজির প্রভাষক তিনি। চমকে দেওয়ার মতো তথ্য হলো মোস্তাফিজুর রহমানের মাসিক আয় প্রায় দুই লাখ টাকা। গ্রামের একটি ডিগ্রি কলেজে পড়িয়ে এটা কীভাবে সম্ভব?
মাসে গড়ে দুই লাখ টাকা আয় করা মো. মোস্তাফিজুর রহমান এটা সম্ভব করেছেন ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং কাজের মাধ্যমে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের নিয়মিত কর্মীর বাইরে মুক্তপেশাজীবী বা ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করিয়ে নেন। এটিই ‘ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং’ নামে পরিচিত। গ্রাহকের নির্দিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ে কাজ করে দেন ফ্রিল্যান্সাররা। মোস্তাফিজুর রহমান এমন কাজই করেন চারজনের একটি দল নিয়ে। ধর্মপাশায় বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা পণ্যের বর্ণনা লিখে দেয় মোস্তাফিজুর ও তাঁর দল। লিখতে হয় ইংরেজিতে। কারিগরি ভাষায় এই বিষয়টিকে বলে ‘কনটেন্ট রাইটিং’। সাত বছর আগে কন্টেন্ট রাইটিং দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।
© 2025 Alor Kuthir. All rights reserved | Design and developed by ITBD